মুখরিত তারুণ্যের গল্প !

চুলের সৌন্দর্য বাড়াতে হলে প্রয়োজন বিশেষ যত্ন ও সতর্কতার। প্রতিদিন নিজেদের নানা অসতর্কতার কারণে নষ্ট হয় আমাদের সাধের চুল। আজকাল খুব ঝরছে আপনার চুল? জেনে নিন তাহলে এটার জন্য আপনার নিজেরই কিছু ভুল দায়ী! সারাদিন এখানে-ওখানে ঘোরাঘুরির কারণে চুলে ধুলাবালু লেগে যায়। সেই সঙ্গে চুলে লেগে থাকে জট। দিন শেষে চুল শ্যাম্পু করার আগে অবশ্যই চুল আঁচড়ে নেয়া উচিত।
বৈশাখের এই গরমে চুলের যত্নে নেয়া যেতে পারে বিশেষ যত্ন। ঝলমলে সুন্দর চুল কে না চায় বলুন? উজ্জ্বল ও সুস্থ চুল যেন সব নারী-পুরুষেরই স্বপ্ন থাকে। সুন্দর চুল সবারই সৌন্দর্য বাড়িয়ে দেয় অনেকখানি। কিন্তু সুন্দর চুল কি আর চাইলেই পাওয়া যায়? চুলের সৌন্দর্য বাড়াতে হলে প্রয়োজন বিশেষ যত্ন ও সতর্কতার। প্রতিদিন নিজেদের নানা অসতর্কতার কারণে নষ্ট হয় আমাদের সাধের চুল। আজকাল খুব ঝরছে আপনার চুল, মাথা টেকো হয়ে যাচ্ছে? জেনে নিন তাহলে এটার জন্য আপনার নিজেরই কিছু ভুল দায়ী!

সারাদিন এখানে-ওখানে ঘোরাঘুরির কারণে চুলে ধুলাবালি লেগে যায়। সেই সঙ্গে চুলে লেগে থাকে জট। দিন শেষে চুল শ্যাম্পু করার আগে অবশ্যই চুল আঁচড়ে নেয়া উচিত। তাহলে চুলের জট ছেড়ে যায়। চুল শ্যাম্পু করার সময়ে চুল ভিজে নরম হয়ে যায়। আগেই জট ছাড়িয়ে না নিলে চুল ধোয়ার সময় চুল ছিঁড়ে যেতে পারে এবং চুলের ক্ষতি হতে পারে। অনেকেই শুধু চুলের আগা আঁচড়ে নেন। চুলের গোড়া আঁচড়ানোর বেলায় রাজ্যের আলসেমি ভর করে অনেকের। কিন্তু চুলের আগা তো বটেই চুলের গোড়া আঁচড়ানোও জরুরি। কারণ চুলের গোড়া আঁচড়ালে রক্তচলাচল বৃদ্ধি পায় এবং মাথার তালুর থেকে তেল পুরো চুলে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে চুল উজ্জ্বল থাকে এবং এর বৃদ্ধি স্বাভাবিক থাকে।

প্রতিদিনই কি শ্যাম্পু করার অভ্যাস আছে আপনার? যদি আপনার প্রতিদিন শ্যাম্পু করার অভ্যাস থাকে তাহলে আপনি নিজেই ক্ষতি করছেন আপনার চুলের। প্রতিদিন চুল শ্যাম্পু করলে চুলের গোড়ার প্রাকৃতিক তেল ধুয়ে গিয়ে চুলকে রুক্ষ করে ফেলে। সেই সঙ্গে শ্যাম্পুর অতিরিক্ত কেমিক্যাল চুলকে ভঙ্গুর করে ফেলে। চুলকে পরিপাটি রাখার জন্য অনেকেই হেয়ার ড্রায়ার, কার্লিং মেশিন ও স্ট্রেইটনার ব্যবহার করেন। কিন্তু এগুলোর অতিরিক্ত তাপমাত্রা খুব সহজেই চুলকে নিষ্প্রাণ করে ফেলে। এগুলোর নিয়মিত ব্যবহারে চুল ভঙ্গুর হয়ে যায় এবং চুলের স্বাভাবিক রঙ পরিবর্তন হয়ে যায়। সেই সঙ্গে কমে যায় চুলের বৃদ্ধি। পহেলা বৈশাখ আসতে না আসতেই বিভিন্ন মার্কেট বা শপিং মলে জমজমাট ভিড় লেগে গেছে।

এ বৈশাখকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন শোরুমে উঠেছে বেশ কিছু নতুন কালেকশন। মধ্যবিত্ত পরিবারের সদস্যরাও বৈশাখের জন্য কেনাকাটা করে। তবে এদের শপিংগুলো হয় ফুটপাত থেকে। ছোট বাচ্চা থেকে শুরু করে দাদা-দাদি, নানা-নানীরাও এ উৎসব পালন করেন অনেক আনন্দের সঙ্গে। তবে কিশোর-কিশোরী ও যুবক-যুবতীদের আনন্দ একটু ভিন্নরকম হয় তাদের বৈশাখের আগাম প্রস্তুতিতে। ছেলেরা পরেন পাঞ্জাবি আর মেয়েরা শাড়ি। মিরপুরের স্টাইল ওয়ার্ল্ড, গ্রামীণ সম্ভার, নকশি, পালকি, আড়ং ও অন্যান্য শপিং মলের সেলসম্যানদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতি বছরের মতো এবারো বৈশাখের জন্য তারা বেশ কিছু নতুন কালেকশন এনেছেন।পহেলা বৈশাখ যেখানেই হোক না কেন, তরুণ-তরুণীদের প্রাধান্য বেশি থাকে। এক কথায় বলা যায়, নববর্ষ উদ্‌যাপন হয় শুধু তরুণ-তরুণীদের জন্য। বৈশাখ বললেই তারুণ্যের কথা চলে আসে। পহেলা বৈশাখ বলতে অনাবিল আনন্দ আর তাদের সাজগোজ।

একটা সময় ছিল যখন মানুষ বৈশাখে শুধু সাদা ও লাল সংমিশ্রণে পোশাক পরত এবং সেগুলোয় বিভিন্ন রকম তবলা, ঢাকঢোলের নকশা করা থাকত। দিনবদলের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের রুচিরও পরিবর্তন ঘটেছে। এখন শুধু লাল ও সাদা নয়, হরেক রঙের মিশ্রণে তৈরি পোশাক পরা হয়। বিশেষ করে লাল, হলুদ, কমলা, সাদা, আরো বাহারি রং। বৈশাখে পোশাকের পাশাপাশি সাজগোজের ব্যাপারটা তো রয়েছেই। অনেকে বৈশাখে শুধু শাড়ি পরতে ভালোবাসেন তার খোঁপায় ফুলের মালা গুঁজে দিয়ে কপালে একটা টিপ দিয়ে বের হয়ে যান। আবার অনেকে সালোয়ার-কামিজ, জিন্স-ফতুয়া পরতে ভালোবাসেন। তবে সাজগোজের ব্যাপারে মেয়েরা একটু কম ছাড় দিয়ে থাকেন কারণ তরুণ বয়সে কোনো একটা প্রোগ্রামের অজুহাত পেলেই হলো, তাহলে তাদের সাজের ধুম পড়ে যায়। আর পহেলা বৈশাখ হলো একটি জাতীয় উৎসব।

সেখানে তরুণ-তরুণীদের অগ্রাধিকার বেশি। যারা শাড়ি পরতে ভালোবাসেন তারা কপালে মাঝারি আকারের টিপ, চোখে গাঢ় ও মোটা করে কাজল আঁকতে পারেন। হাতভর্তি রেশমি চুড়ি বা মোটা পলা টাইপের কিছু চুড়ি পাওয়া যায়, সেগুলো পরতে পারেন। গলায় মালা অথবা অ্যান্টিকের গহনা পরতে পারেন। আজকাল গলার মালার মধ্যে বেশ কিছু রকমারি কারুকাজের মালা বা ভারী গহনা গড়ে থাকেন কুটিরশিল্প জাত। অ্যান্টিকের গহনার প্রচলন একটু বেশি দেখা যাচ্ছে। বৈশাখে লিপস্টিক বলতেই চট করে মাথায় চলে আসে ঠোঁটে টকটকে লাল রঙের লিপস্টিক। কেননা লাল লিপস্টিকটাই বৈশাখের মাধুর্য আরো সুন্দর করে ফুটিয়ে তোলে। আর যারা শাড়ি পরতে কমফোর্ট না হন তারা সালোয়ার-কামিজ বা ফতুয়ার সঙ্গে জিন্স পরতে পারেন। এখন অনেকেই ফতুয়ার সঙ্গে দিব্যি টিপ পরেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *