‘ক’রোনা সং’ক্রমণে সর্বোচ্চ ঝুঁ’কিতে চট্টগ্রাম’- সিভিল সার্জন !

বিমানবন্দর ও সমুদ্র বন্দরের কারণে চট্টগ্রামে ক’রোনা ভাই’রাসের ঝুঁ’কি খুব বেশি বলে জানিয়েছেন জেলা সিভিল সার্জন সেখ ফজলে রাব্বি।সোমবার বিকালে চট্টগ্রাম সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।

সিভিল সার্জন বলেন, ‘চট্টগ্রাম জেলা এই মুহূর্তে স’র্বোচ্চ ঝুঁ’কিতে আছে। কারণ আমাদের দুটি বন্দর, একটি বিমানবন্দর ও অ’পরটি সমুদ্র বন্দর। দু’টি বন্দর দিয়েই সং’ক্রমণের সম্ভাবনা রয়েছে।তাই এন্ট্রি পয়েন্টেই যদি সং’ক্রমণকারীকে ঠে’কিয়ে দেয়া না যায়,

তাহলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে না।ইতালিফেরত প্রবাসীদের কারণে চট্টগ্রামে ঝুঁ’কির পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।তিনি বলেন,আমাদের শাহ আমানত বিমানবন্দরে ইতিমধ্যেই থার্মাল স্ক্যানার বসানো হয়েছে।এছাড়া সমুদ্রবন্দরে হ্যান্ড থার্মাল স্ক্যানারের মাধ্যমে পরীক্ষা করা হচ্ছে।

ক’রোনাদু’র্গত এলাকার মধ্যে ইতালি থেকেই সবচেয়ে বেশি প্রবাসীরা ফিরছেন।সাধারণত একজন ক’রোনা আ’ক্রান্ত রো’গীর উপসর্গ দেখা দিতে ২ থেকে ১৪ দিন সময় লাগে। তাই বিমানবন্দরে স্ক্রিনিংয়ে ক’রোনায় সং’ক্রমিত ব্য’ক্তি বেরিয়েও যেতে পারে।এ সব কারণে আমরা বিমানবন্দর থেকে প্রতি মুহূর্তে আপডেট তথ্য নিচ্ছি এবং প্রবাসীদের হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করতে কাজ করছি।

ফজলে রাব্বী মিয়া, ‘এছাড়া ক’রোনাদু’র্গত এলাকা থেকে আগত প্র’বাসীদের কারও যদি শরীরে তাপমাত্রা বেশি পাওয়া যায় তাহলে সঙ্গে সঙ্গেই বিমানবন্দর থেকে তাকে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

হোম কোয়ারেন্টাইনের বিষয়ে সিভিল সার্জন বলেন,চট্টগ্রামের হোম কোয়ারেন্টাইন তদারকিতে একটি শক্তিশালী কমিটি কাজ করছে।এতে জেলা প্রশাসক, স্বাস্থ্য বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও আছে।বিমানবন্দর থেকে প্রবাসফেরত যাত্রীদের তালিকা স্থানীয় প্রশাসন ও ডিজিএফআইকে সরবরাহ করা হচ্ছে। তারাই হোম কোয়ারেন্টাইনের বিষয়টি তদারকি করছেন।

প্রসঙ্গত,চট্টগ্রামে তিনটি এক্সপোর্ট প্রসেজিং জোন (ইপিজেড) এলাকায় কয়েকশ’ কারখানা রয়েছে।এ ছাড়া মিরসরাইয়ে একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল ও কর্ণফুলী টানেল নির্মাণাধীন। ইপিজেডের কারখানা এবং নির্মাণাধীন বেশকিছু প্রকল্পে বিদেশি নাগরিকরা কর্মরত।

তাছাড়া দেশের অন্যান্য জেলার চেয়ে মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপ প্রবাসী নাগরিকের সংখ্যাও চট্টগ্রামে বেশি। মূলত এ কারণেই চট্টগ্রামে ক’রোনার ঝুঁ’কি বেশি বলে মনে করা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *